পাহাড় কেটে বসতবাড়ি নির্মাণ করার কারণে ভারি বৃষ্টি হলে পাহাড় ধসে পড়ে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। বিশ্বের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ো-ডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় পানি ও জমির ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ করার জন্য আইন পাস হয়েছে। পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম পাহাড় কাটা এলাকা পরিদর্শন ও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে অভিযানকালে এসব কথা বলেন। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক মো. হাসান হাছিবুর রহমানসহ অনান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, নদী, পুকুর, ডোবা যেমন ভরাট করা যাবে না এমনকি পাহাড়ের মাটিও কাটা যাবে না। পাহাড় ব্যক্তিমালিকানাধীন হলেও মাটি কাটা যাবে না। যারা এতদিন পাহাড় কেটে বসতবাড়ি তৈরি করেছেন তাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অন্যথায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের অপসারণ করা হবে। 

এ সময় নগরীর আকবর শাহ এলাকায় অতিরিক্ত সচিব পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে দুইজনকে পাহাড় কাটা অবস্থায় ধরেন তিনি। অভিযুক্তদের মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের আওতায় তাদের অর্থদণ্ড অনাদায়ে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।