ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান-১০ লঞ্চে আগুনের ঘটনায় নিখোঁজ আরো দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার ও উদ্ধার দলের নেতা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল পঞ্চম দিনের মতো সুগন্ধা নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সুগন্ধা নদী থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার হয়।

এদিকে গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন ও হতাহতের ঘটনায় আরেকটি মামলা হয়েছে। মো. মনির হোসেন নামে নিখোঁজদের এক স্বজন বাদী হয়ে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলাটি করেন। অভিযান-১০ লঞ্চের মালিক, চালকসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, অপারেশন) মো. মালেক। আগুনের ঘটনায় লঞ্চে থাকা যাত্রী তার বোন তাসলিমা আক্তার (৩২), দুই ভাগ্নি সুমাইয়া আক্তার মীম (১৫), সুমনা আক্তার তানিশা (১০) এবং ৭ বছর বয়সী ভাতিজা জোনায়েদ ইসলাম বায়জিদ এখনো নিখোঁজ রয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন মনির হোসেন। এজাহারে লঞ্চটিতে নিরাপত্তা সামগ্রীর ঘাটতির কথাও উল্লেখ করা হয়।

ঝালকাঠিতে লঞ্চ দুর্ঘটনায় এটি দ্বিতীয় মামলা। এর আগে ২৫ ডিসেম্বর একই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়। সেটিতে বাদী হয়েছেন ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।