পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটনসমৃদ্ধ হওয়ায় ২০১০ সালে পৌরসভা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে অধিকাংশ এলাকার সড়কে প্রয়োজন অনুপাতে বাতি নেই। সন্ধ্যা হলেই ভুতুড়ে পল্লীতে পরিণত হয়। নির্জন সড়কে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছেন পৌরসভার বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার সড়ক অনুপাতে যে পরিমাণ বাতি থাকার কথা তা নেই। এর মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডের খাজুরা, ২ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেলাপাড়া, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেয়র বাজার থেকে মিয়াবাড়ি মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়কে বাতি নেই। 

এছাড়া মেয়র বাজার থেকে আকন বাড়ি পর্যন্ত ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কচ্চব আলী, ৬ নম্বর ওয়র্ডের নবীনপুর, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাঞ্জুপাড়া, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হুইসেল পাড়া এবং চৌরাস্তা থেকে লেবুবন পর্যন্ত সড়কে বাতি নেই।

পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রুহুল আমিন জানান, এখানে প্রায়ই চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা শোনা যাচ্ছে। সড়কে বাতি না থাকায় এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে।

স্থানীয় কালাম মাঝি জানান, পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ও বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন সড়কে বাতি না থাকায় রাতের আঁধারে চলাচল করতে সমস্যা হয়। পর্যটন এলাকা হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসা-যাওয়া করে। ঝুঁকি নিয়ে তারা অন্ধকারে ঘোরাঘুরি করে।

পর্যটকরা বলছেন, বিনোদনের জন্য তারা কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আসেন। তবে সন্ধ্যার পর রুম থেকে বাইরে যাওয়ার মতো অবস্থা থাকে না। অধিকাংশ রাস্তায় কোনো সড়কবাতি নেই। অন্ধকারে ঘোরাঘুরি করতে ভয় হয়। এখন বর্ষা মৌসুম, কুয়াকাটার বিভিন্ন সড়কে পানি জমে থাকে। বাতি না থাকায় চলাচলে সমস্যা হয়।

এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ৪০-৫০। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সমস্যা সমাধানের। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো সমাধান হবে।’