সার্বিকভাবে বাজেট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও ঘোষিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ভালো প্রচেষ্টাগুলোর বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট আশরাফ আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, করের বড় ধরনের একটি বৃদ্ধি প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। সেটির জন্য এনবিআরকে অনেকগুলো নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারের বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ পুরো বিষয়টি করা হয়েছে করের হার খুব একটা না বাড়িয়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে করপোরেট করের হার কমানো হয়েছে। দেশে উৎপাদন হয় এমন বিভিন্ন পণ্যের ওপর করের হার বাড়ানো হয়েছে। যেটিকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।

বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য গত অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ কম, কিন্তু তা এখনো অনেক বেশি। আমরা মনে করি এ লক্ষ্যমাত্রা অনেক বড়। এই লক্ষ্যমাত্রার সবটুকু যদি ব্যাংক থেকে নেয়া হয় তাহলে বেসরকারি খাতের ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে চাপ তৈরি হবে। যেটি আমরা মনে করি হওয়া উচিত নয়। এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর বড় ধরনের চাপ পড়বে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাজেট ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা জিডিপির অনুপাতে আগের বছরের তুলনায় কমানো হয়েছে। এটি গত বছর ৫ দশমিক ২ ছিল এ বছর সাড়ে ৪ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এটা হয়তো বা যা আছে তার থেকে কম থাকবে। এটি সরাসরি মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য অবদান রাখবে বলে আমি আশা করছি। তবে যদি আমরা তারল্য সংকট কাটিয়ে উঠতে পারি তাহলে আমাদের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা সহজ হবে। যদিও এক্ষেত্রে বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। এ প্রস্তাবিত বাজেটটি মুদ্রাস্ফীতি সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি স্থানীয় বিনিয়োগ, রফতানি বৈচিত্র্যকরণ, কর জালের বিস্তৃতি এবং ঘাটতি বাজেট সহজ করতে আর্থিক খাতের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে।