টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের বাজেটের ওপর কিন্তু দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা নির্ভর করে না। তারা যখন যে বাজেট চেয়েছে, পেয়েছে। দুদক অভ্যন্তরীণভাবে ক্যাপচার্ড, বাই ফোর্সেস এবং যারা দুর্নীতির সহায়ক। দুদকের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় উচ্চ পর্যায়ে যারা আছেন, তাদের সিংহভাগ দুর্নীতির সহায়ক শক্তি। এটা মোটামুটিভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাদের হাতে কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনের ক্ষমতা নিয়ে নেয়া হয়েছে।

‘জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ ও বিরাজমান পরিস্থিতি: অসুবিধাগ্রস্থ মানুষের প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার (১০ জুন) ঢাকার মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ এই আয়োজন করে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুদকের সক্ষমতার ঘাটতি যেটা, সেটা হলো বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ হতে হবে প্রতিষ্ঠান। সে জন্য দুদকের যে শক্তি, সেটা প্রয়োগ করা যাচ্ছে না। তাছাড়া দুদকের একার পক্ষে দুর্নীত দমন সম্ভব নয়। যে দেশে প্রতিষ্ঠান নিজেই ক্যাপচার্ড, ডিসফাংশনাল, সেই দেশে জবাবদিহি খুবই কঠিন। বিশেষ করে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো রাজতৈকিভাবে দখল হয়ে আছে।

তিনি আরো বলেন, এবারের বাজেট শুত্রুভাবাপন্ন বাজেট। কালোটাকা সাদা করার বিষয়টি যেভাবেই ব্যাখ্যা করা হোক না কেন, এটা সংবিধান পরিপন্থী। বরং, এটার সুযোগ দিয়ে বলা হচ্ছে, দেশবাসী এই পথ অনুসরণ করুন। তরুণ প্রজন্মের কাছে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।

 অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।