স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে এনামুল হককে নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। আগামীকাল ১ সেপ্টেম্বর থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে।

করপোরেট ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নেতৃত্বে আসছেন এনামুল হক। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডে তার ২৫ বছরের কর্মজীবনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় করপোরেট, কমোডিটি ট্রেডিং ও এগ্রিবিজনেস, গ্লোবাল সাবসিডিয়ারিজ এবং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস খাতে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ক্লায়েন্ট সম্পর্ক পরিচালনার পাশাপাশি তিনি বহুমাত্রিক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক লেনদেনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে এনামুল হক বলেন, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এ ব্যাংক আমার পেশাগত পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ পদে নিয়োগ পাওয়া আমার দীর্ঘ পথচলার স্বীকৃতির পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্বও। আমার অগ্রাধিকার থাকবে আন্তর্জাতিক ব্যাংক হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অনন্য সংযোগ ও সক্ষমতাকে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগানো, ক্লায়েন্ট ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আমাদের সম্পর্কগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং সকলের কাছে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে আমাদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করা।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে গতবছরের এপ্রিল থেকে এনামুল হক কান্ট্রি চিফ রিস্ক অফিসার ও সিনিয়র ক্রেডিট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি ব্যাংকটির ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তদারকির পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতি ও নির্দেশিকার পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি ব্যাংকটির ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের বাইরে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের উন্নয়নেও অবদান রেখেছেন এনামুল হক। ২০২৩ থেকে ২০২৫ মেয়াদে তিনি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ক্যাপিটাল মার্কেটস অ্যান্ড বন্ডের কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এনামুল হক মাউন্ট এলিজা বিজনেস স্কুল, মোনাশ ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া থেকে এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। কর্মজীবনের বাইরে তিনি ভ্রমণ উপভোগ করেন এবং চিত্রকলার প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।