গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়নসংক্রান্ত সেলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সে সময় ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণের কার্যক্রম, সামগ্রিক বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি দৃশ্যমান করার নির্দেশ দেয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করবেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় এ কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।

গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কক্ষে কৃষক কার্ড প্রণয়ন সম্পর্কিত সেলের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু; অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

বৈঠকে কৃষকদের জন্য আধুনিক ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ প্রণয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি কৃষকদের একটি সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরি, ভর্তুকি ও প্রণোদনা সরাসরি পৌঁছে দেয়া এবং ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিসেবা সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ডিজিটাল মাধ্যমে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ মোট ১১ উপজেলায় একযোগে কৃষক কার্ডের কার্যক্রম শুরু হবে। টাঙ্গাইল ছাড়া অন্য উপজেলাগুলো হলো পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সাবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী।