সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শীর্ষ পাঁচ
কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে বরখাস্ত
আদেশ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেছেন আদালত।
রোববার (১৪ জুলাই) বিচারপতি নাইমা হায়দার
ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এ স্থগিতাদেশ দেন।
ইন্সুরেন্স থেকে বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা
হলেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম ও মঞ্জুর মোরশেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা
পরিচালক আব্দুল্লাহিল কাফি ও গোলাম মোস্তফা এবং সহকারি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ
আজিম। গত ৯ জুলাই আর্থিক অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদেরকে বরখাস্ত করেন
প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) এস এম ফেরদৌস।
কর্মকর্তাদের পক্ষের আইনজীবী ব্যরিস্টার
সুমাইয়া ইফরিত বিনতে আহমেদ বলেন, আদালতের এ রায়ের ফলে ওই পাঁচ কর্মকর্তার নিয়মিত অফিস
করতে আর কোনো বাধা নেই।
এর আগে গত ২১ এপ্রিল সোনালী লাইফের
১৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদকে বরখাস্ত করে অভিযোগটি
খতিয়ে দেখতে এস এম ফেরদৌসকে দুই মাসের জন্য প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয় বীমা উন্নয়ন ও
নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। তবে নিয়োগের পর থেকেই তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন
না করে কোম্পানির নিয়মিত কাজে হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এরই প্রেক্ষিতে গত ৯ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্ত করেন তিনি।










