নবম পে-স্কেলসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির সাত দফা দাবি পেশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমিতি ‘১৭-২০’তম গ্রেড কেন্দ্রীয় কমিটি। গতকাল সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সস্মেলনে এ দাবি পেশ করা হয়।
এ সময় বাড়ি ভাড়া, রেশনিং পদ্ধতি চালু, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা, যাতায়াত ভাতা ও টিফিন ভাতা দেয়ার কথাও বলা হয়। সমিতির উপদেষ্টা মো. হেলাল উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় শিগগিরই বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমিতি ১৭-২০ গ্রেড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী, বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুর রহিমসহ অনেকে।
সরকারি কর্মচারী সমিতির সাত দফা দাবিতে বলা হয়, বৈষম্যহীন নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করতে হবে এবং কমিশনে কর্মচারী প্রতিনিধি রাখতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ১৯৭৩ সালের ১০ (দশ) ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। সর্বনিম্ন বেতন ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাতিল করতে হবে, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মচারীদের হয়রানিমূলক বদলি আদেশ, অত্যাচার নির্যাতনমূলক ও মিথ্যা মামলা বন্ধ ও প্রত্যাহার করতে হবে, প্রধানমন্ত্রীর ২০১৫ সালের ঘোষণা অনুযায়ী আয়কর বিভাগসহ সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীদের ব্লক পোস্ট বাতিল করতে হবে।










