ঝিনাইদহের সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা ও রতনহাট গ্রামে নির্বাচন পরবর্তী হামলায় অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় ২০ টি বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন- সুজন হোসন, মিল্টন হোসেন, বোরহান উদ্দীন, আব্দুল আলিমও শিশু রিদয় হোসন। আহতদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে সুজন নামের এক জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, সদর উপজেলার সুরাট ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ও সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেন জোয়ার্দ্দারের সমর্থকদের মাঝে নির্বাচন নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে কবির হোসেনের এক সমর্থককে মারধর করে আশরাফুলের সমর্থকরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আশরাফুলের লোকজন রাতভর রতনহাট ও বাগডাঙ্গা গ্রামের কবির হোসেনের সমর্থকদের ২০টি বাড়িঘর ভাংচুর করে। এসময় কবির হোসেনের অন্তত ৫ সমর্থক আহত হন।
এ বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেন বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আমার দলীয় নেতা কর্মীদের উপর একের পর এক হামলা করে যাচ্ছে।
বর্তমান চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমি কিছুই জানিনা। রাতে সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা আমাকে ফোন করে বলে আপনার লোকজন মারামারি করছে। বিষয়টি দেখেন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।









