নরসিংদীর শিবপুরে বাসচাপায় মেহেদী হাসান নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া কয়েকটি গাড়িও ভাংচুর করেছে তারা। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার চৈতন্যা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মেহেদী হাসান শিবপুর উপজেলার ছোটাবন্দ গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। তিনি ছোটাবন্দ সুলতান মাহমুদ উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। কয়েকটি গাড়িও ভাংচুর করেছে তারা। পরে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ ও ইটাখোলা হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। ঘাতক বাসের চালক পালিয়ে গেছেন। তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’
অন্যদিকে লক্ষ্মীপুরে রাস্তা পারাপারের সময় যাত্রাবাহী বাসচাপায় শিশু মিম আক্তার (৪) ও তার নানা নাছির মোল্লার নিহত হয়েছেন। গতকাল সকাল ৯টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব হাজিরপাড়ার সিয়াম পেট্রল পাম্পের সামনে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিম ও আহত নাছির ভোলার বাসিন্দা। তারা সকালে ভোলা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল।
মিমি ও তার নানা নাছির চট্টগ্রামগামী শাহী পরিবহনের একটি বাসের যাত্রী ছিলেন। ভোলা থেকে লঞ্চে এসে তারা সদর উপজেলার মজু চৌধুরীরহাট থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে বাসে ওঠেন। ঘটনাস্থল এসে বাসটি তেল নেয়ার জন্য পাম্পে দাঁড়ায়। এ সময় নাতনিকে নিয়ে বাস থেকে নেমে নাছির রাস্তার বিপরীত পাশের দোকানে যাচ্ছিলেন। রাস্তা পারাপারের সময় যমুনা পরিবহনের একটি বাস তাদের চাপা দেয়।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, ‘রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনা ঘটে। শিশুটি আগেই এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নানা মারা যান।’
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল বলেন, ‘দুর্ঘটনায় এক শিশুকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।’










