গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাসের (বি-স্ক্যান) আয়োজনে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বি-স্ক্যান, সেন্টার ফর ডিজএ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (সিডিডি) এবং সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজএবিলিটির (সিএসআইডি) যৌথ উদ্যোগে ‘নাগরিকতা–সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)’ কর্মসূচির আওতায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ডিজেবিলিটি ইনক্লুসিভ সিভিক এনগেজমেন্ট (ডিআইসিই) প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রকল্পটি চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। একই সময়ে গাজীপুরে বি-স্ক্যান, মানিকগঞ্জে সিএসআইডি এবং নরসিংদীতে সিডিডির তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি পরিচালিত হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে জিএফএ কনসাল্টিং গ্রুপ জিএমবিএইচ, জার্মানি এবং অর্থায়ন করছে সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সরকার।
সভায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল হাসান প্রধান অতিথি ছিলেন। বক্তব্যে তিনি এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশা ব্যক্ত করেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ মতিয়ার রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন সিডিডির প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. ওহিয়ার রহমান। সভাটি সঞ্চালনা করেন বি-স্ক্যান’র নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব। এ সময় বি-স্ক্যান’র সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান রাকিভ প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন।
প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার করা। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচারণা এবং সক্রিয় নাগরিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলা।
এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১ হাজার ৩১৬ জন সরাসরি উপকৃত হবেন, যার মধ্যে রয়েছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, যুব ও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি, টিভিইটি ও ওপিডি প্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, প্রশিক্ষক এবং সিভিল সোসাইটি সংগঠনের সদস্যরা। এছাড়া ৩ হাজার ৬২ জন পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন, যার মধ্যে সাংবাদিক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি, মিডিয়া পেশাজীবী, পরিবার, নিয়োগকর্তা এবং বিভিন্ন নেটওয়ার্ক অন্তর্ভুক্ত।
সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সংগঠনের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনরা অংশগ্রহণ করে তাদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।










