তবে এসবকে আর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না বলা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গতকাল কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিসের হাসিনা, মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়। তারা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কিনা। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কখনই এসব গ্রহণ করবে না।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমাও চায়নি। তাই এ দেশে তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ বাংলাদেশের মানুষ কখনো দেবে না। বাংলাদেশের জনগণ তাদের রাজনীতি করার অনুমতি কোনোদিনই দেবে না।’
এর আগে গতকাল কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে ‘স্বপ্নচূড়া আবাসিক প্রকল্পের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারের সমুদ্রসম্পদ, পর্যটন শিল্প ও গভীর সমুদ্রের প্রাকৃতিক সম্পদ কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের অনুমতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সমুদ্রের অন্যান্য সম্পদ আহরণের প্রচেষ্টাও চলছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করেই পর্যটনের উন্নয়নের চেষ্টা করতে হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি অর্থনৈতিক শক্তিশালী বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। কক্সবাজারের সমুদ্রসম্পদ, পর্যটন শিল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং অন্য প্রাকৃতিক যে সম্পদ আছে, এগুলো আহরণ করলে শুধু এ জেলা থেকে বিশাল রাজস্ব আহরণ করা সম্ভব।’
কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি ও মেরিন সায়েন্স ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেখানে সমুদ্রভিত্তিক গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পুরো ১০০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকৃষ্ট করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সংসদ সদস্য আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।










