নরসিংদীতে মো. আমির হোসেন সরকার (৩০) নামে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া নড়াইলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলায় বিএনপি নেতা ফকির মিরাজুল ইসলাম (৫৫) জখম হয়েছেন। তার ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আহত হয়েছে দলটির আরো দুই নেতাকর্মী। গতকাল দুপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহত আমির হোসেন নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের আলোকবালী উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুল হক সরকারের ছেলে। তিনি আলোকবালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বিগত ইউপি নির্বাচনে তিনি আলোকবালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচিত হন।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর থেকে আমির হোসেন এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করেন। সোমবার তার বড় ভাই বিদেশ থেকে বাড়িতে আসেন। গতকাল সকালে তিনি ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি আসেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে জখম করে। স্বজনরা নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সারুলিয়া গ্রামে বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফকির মিরাজুল ইসলামের (৫৫) ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আহত হয়েছেন দলটির আরো দুই নেতাকর্মী। গতকাল দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা রওশন কাজীর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, দুপুরে সারুলিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে মিরাজুল ইসলাম ফকির তার ভাই ইমরান ফকির ও একই গ্রামের বাবুল শরিফ বসে ছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা রওশন কাজীর নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মিরাজুল ইসলাম ফকিরের ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া সঙ্গে থাকা ইমরান ফকির ও বাবুল শরীফকেও কুপিয়ে জখম করে হামলাকারীরা।
লোহাগড়া থানার ওসি মো. আশিকুর রহমান জানান, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।










