দেশের পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান শপআপ আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নাসডাক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে চায়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি দেশের আট কোটি গ্রাহকের সঙ্গে তাদের ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের মাধ্যমে সংযুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব লক্ষ্যের কথা তুলে ধরেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে শপআপের ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। শপআপের তিনটি ব্যবসায়িক ইউনিট রয়েছে। তাদের মোকামের মাধ্যমে তারা পণ্য উৎপাদকদের সঙ্গে খুচরা ব্যবসায়ীদের সংযুক্ত করছে। রেডেক্স ইউনিটের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। আর খুচরা ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহযোগিতা দিতে তারা একটি আর্থিক সেবা চালুর বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ২০১৯ সালে শপআপ প্রথমে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। ২০২১ সালে তারা সবচেয়ে বেশি তহবিল সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়। ২০২৩ সালে শপআপ পরিচালন মুনাফা করেছে এবং এ বছর শেষে তাদের মোকাম ইউনিট নিট মুনাফা করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে শপআপের প্রেসিডেন্ট মামুন রশীদ বলেন, ‘আমাদের কাজ হচ্ছে বড় উৎপাদকদের কাছ থেকে পণ্য এনে ছোট দোকানে পৌঁছে দেয়া। যাতে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছানো যায়। আমাদের যারা বিনিয়োগকারী রয়েছেন তারা চাইছেন আমরা যাতে ছোট দোকানদার যারা রয়েছেন তাদের অর্থায়ন করি যাতে করে তাদের পণ্য মজুদের সক্ষমতা আরো বাড়ানো যায়। গতকাল আমাদের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ডেকেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এক কোটি মানুষকে ৬ হাজার ৮০০ ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে বেশ কয়েকটি পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।’
শপআপের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা (সিবিও) ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সুজায়াত আলী বলেন, ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেক অগ্রগতি অর্জন করেছে। ব্যবসায়িক সম্ভাবনার দিকটি বিবেচনা করেই শপআপ এখানে বিনিয়োগ করেছে।’
শপআপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আফিফ জামান, অনুষ্ঠানে শপআপের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পণ্য কর্মকর্তা (সিপিও) আতাউর রহিম চৌধুরী, সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) নবনীত কৃষ্ণাসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










