১৯৯৭ সালে ব্রাজিলে কুরিতিবা শহরে এক সমাবেশ থেকে নদীর প্রতি দায়বদ্ধতা মনে করিয়ে দিতে আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। সেখানে এক হয়েছিলেন বিভিন্ন দেশে বাঁধের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার শিকার জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।

তাইওয়ান, ব্রাজিল, চিলি, আর্জেন্টিনা, থাইল্যান্ড, রাশিয়া, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ওই সম্মেলনে অংশ নেন প্রতিনিধিরা। সেখান থেকেই ১৪ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস’ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এবারের ‘নদীকৃত্য  দিবস- ২০২৪ এর প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য দূষণমুক্ত পানি’।

বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশন, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার, বেলা , প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনসহ ১০টি পরিবেশবাদী  সংস্থার যৌথ আয়োজনে আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস পালিত হয়।

ভিন্নধর্মী আয়োজনে ছিল নদীবিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা ‘কেমন নদী চাই’। এতে দেশের বিভন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় দুই শতাধিক নদীপ্রেমী অংশগ্রহণ করে। যাচাই বাছাই শেষে ৩ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। বিচারক প্যানেলে ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুণ কিবরীয়া, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের অধ্যাপক অসীম বিভাকর, রিভার  অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের মোহাম্মদ এজাজ ও পরিবেশ সাংবাদিক মো. সৌমিক আহমেদ।

রচনা প্রতিযোগিতায় করে সাইফ রসুল প্রথম স্থান, অতৌফিকুজ্জামান দ্বিতীয় স্থান ও ফারশাদ আলম চৌধুরী তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

শনিবার (১৬ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ  করা হয়। এতে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার, প্রধান আলোচক বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক অসীম বিভাকর, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ, বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মনির হোসেন, নদী গবেষক ও সাংবাদিক আমিন আল রশীদ, পরিবেশ ও নদী রক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম সুমন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. নুরুজ্জামান শিপন ও কলাম্বিয়া ওয়াশিং প্ল্যান্টের ওয়াটার রিসোর্স অ্যান্ড সাসটেইনবিলিটি ম্যানেজার সাঈদ চৌধুরী।