জীবনাচরণ জানতে দুটি কুমিরের পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে সুন্দরবনের নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। গতকাল রাতে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের ভদ্রা নদীতে কুমির দুটি অবমুক্ত করা হয়।

অবমুক্ত করা কুমির দুটির একটি সুন্দরবনের করমজলের কুমির জুলিয়েট এবং অন্যটি যশোরের মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ির এলাকা থেকে উদ্ধারকৃত স্ত্রী কুমির মধু। পিঠে বসানো স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে কুমিরের জীবনাচরণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা যাবে। জীবনাচারণ জানার ফলে কুমিরের খাবার ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে আরো বেশি জানা যাবে বলে জানান করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির।

তিনি বলেন, ‘মূলত কুমিরের জীবনাচারণ জানতে স্যাটেলাইট ট্রান্সফরমার বসিয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কুমির বিশেষজ্ঞরাও যুক্ত ছিলেন এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে। আশা করি, স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আমরা কুমির বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাব। ফলে কুমিরের খাবার ও চিকিৎসায় আমূল পরিবর্তন আসবে।’