সিলেটে মাদক ব্যবসায়ীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-৯) কনস্টেবল ইমন আচার্য্য। আজ দুপুর সোয়া ১২টার দিকে নগরের কোতোয়ালি মডেল থানার পাশে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এ ঘটনার পর পুলিশ ধাওয়া করে ছুরিকাঘাতকারী আসাদুল আলম বাপ্পী (২২)-কে আটক করেছে পুলিশ। বাপ্পী নগরীর কাজির বাজার এলাকার বাসিন্দা।
এসএমপি’র একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এএসআই (নিরস্ত্র) মো. মাসুক আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল ক্বীন ব্রিজের নিচে কয়েকজন মাদকসেবী ও মাদক কারবারিকে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের সময় দেখতে পায়। পুলিশ তাদের আটক করার চেষ্টা করলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।
পলায়নের সময় র্যাব-৯-এ কর্মরত কনস্টেবল ইমন আচার্য্য পলায়নকারী মাদক ব্যবসায়ী আসাদুল আলম বাপ্পিকে আটকের চেষ্টা করেন। এ সময় আসামির হাতে থাকা ধারালো চাকুর আঘাতে তার বুকের বাম পাশে গুরুতর জখম হয়। পরে হামলাকারী ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করে।
এএসআই মো. জামাল মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ধাওয়া করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। ধাওয়া চলাকালে আসামি তোপখানা এলাকার একটি বাসায় ঢুকে এক শিশুকে জিম্মি করার চেষ্টা করে। পরে কৌশলে পুলিশ সদস্যরা তার কাছ থেকে ধারালো চাকু উদ্ধার করে তাকে আটক করেন।
এ ঘটনায় ধস্তাধস্তিতে এএসআই জামাল মিয়া, কনস্টেবল হাকিম উজ্জ্বলসহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন বলে জানানো হয়েছে।
আহত কনস্টেবল ইমন আচার্য্যকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।
ঘটনার পর আসাদুল আলম বাপ্পিকে গ্রেফতারের পাশাপাশি তার ব্যবহৃত ধারালো চাকু উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।










