বাংলাদেশ সফর করেছন ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল
ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) এশিয়ার ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (ডিএএ)
অঞ্জলি কৌর। গত ২ থেকে ৬ জুন তিনি এ সফর করেন।
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারত্বের অগ্রগতি এবং
সমৃদ্ধ ও জলবায়ু সহিষ্ণু ভবিষ্যতকে অগ্রাধিকার দিতে জাতীয় ও স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেই তার এ সফর।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এক মিডিয়া
নোটে জানিয়েছে, বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সম্মানে ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর
কৌর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং স্বাস্থ্যকর বাস্তুতন্ত্রের জন্য স্থানীয়
জ্ঞান এবং দক্ষতা ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সফরকালে কৌর ইউএসএআইডি-এর অংশীদারত্ব জোরদারের লক্ষ্যে সরকারি
কর্মকর্তা, উন্নয়ন অংশীদার এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন
চৌধুরী, জলবায়ু সংসদের আহ্বায়ক নাহিম রাজ্জাক, এমপি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের
মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে ক্লিন এয়ার পলিসি সংলাপে মূল বক্তব্য প্রদান করেন।
তিনি ইউএনডিপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের
সিনিয়র সচিব মশিউর রহমান এনডিসি এবং রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
অং সুই প্রুর সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং পার্বত্য অঞ্চলে প্রাকৃতিক সম্পদ
রক্ষার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউএসএআইডি-এর ওয়াটারশেড কো-ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রম
উদ্বোধন করেন।
ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর কৌর সুন্দরবনে
তার প্রথম সফর এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনের গুরুত্ব বুঝতে পেরে উচ্ছ্বসিত ছিলেন।
তিনি ইউএসএআইডি এর অংশীদার এবং স্থানীয় অগ্রদূত, যারা বাস্তুতন্ত্র
এবং বন্যপ্রাণী রক্ষা করে তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন, যা জীবিকা নির্বাহের জন্য এবং বন্যা
ও ঘূর্ণিঝড় থেকে সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জনগোষ্ঠীর নেতারা, স্থানীয় সরকার এবং
বেসরকারি খাত কীভাবে বাস্তুতন্ত্রের সহিষ্ণুতাকে শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়া
যায়, সে বিষয়ে তাদের গল্প এবং অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন।










