মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া ফেরি আমানত শাহ পাঁচদিনে উদ্ধার হয়নি। ফেরি ডুবে যাওয়ার পঞ্চম দিনে গতকাল উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। পরবর্তী নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন উদ্ধারকর্মীরা।
উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক ফজলুর রহমান জানান, ঢাকায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নেয়া হবে। ফেরি উদ্ধারকাজ কী প্রক্রিয়ায় কখন শুরু হবে, সেটি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তেই হবে। তবে ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তমকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌ-ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের উদ্ধারকর্মীরাও পরবর্তী নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছেন।
এদিকে উদ্ধার হওয়া যানবাহনগুলো ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও মোটরসাইকেল মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ট্রাকে থাকা অনেক মালামাল উদ্ধার হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। পণ্য মালিকদের দাবি তাদের মালামাল যেন তুলে দেয়া হয়। এছাড়া তারা ক্ষতি পূরণের দাবিও জানান।
উল্লেখ্য, গত বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাটুরিয়া ৫ নং ফেরিঘাটে পণ্যবোঝাই ১৪টি যানবাহন ও কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে রো-রো ফেরি আমানত শাহের তলা ফেটে নদীতে হেলে পড়ে ডুবে যায়। পরে নদীর তলদেশ থেকে আটটি কাভার্ড ভ্যান, ছয়টি ট্রাক ও পাঁচটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।









