কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশে বিভিন্ন সরকারি স্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অন্তত হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে গতকাল আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্যের মাধ্যমে অন্যতম লক্ষ্যবস্তু ছিল বিভিন্ন স্থাপনায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো। এরই অংশ হিসেবে গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী অফিস, সেখানকার উপকেন্দ্র, জাপান গার্ডেন সিটি উপকেন্দ্র, আজিমপুর উপকেন্দ্র, নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, সেখানকার বিদ্যুৎ বিতরণের আঞ্চলিক অফিস, মাদারীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ও বিদ্যুতের বিভিন্ন যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘ইন্টারনেটের ডাটা সেন্টার পুড়িয়ে দেয়ায় বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার ব্যালেন্স নিয়ে গ্রাহকদের সমস্যা হলেও গত ২৪ ঘণ্টা কাজ করে সে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহকের ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সিঙ্গেল ফেজ মিটারে ৩ হাজার টাকা এবং প্রি-পেইড মিটারে ৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। গ্রাহকরা তাদের প্রি-পেইড মিটারের রিচার্জ কার্ড নিয়ে গেলেই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের রিচার্জ সেন্টারগুলো থেকে রিচার্জ করিয়ে দেয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘রোববারের তুলনায় গতকাল রাজধানীর ডিপিডিসি (ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড) ও ডেসকো (ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড) আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোয় গ্রাহকের ভিড় অনেকটা কমে এসেছে।’ গতকাল সারা দিন রিচার্জ সেবা দেয়ার পর গ্রাহক ভোগান্তি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।