তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভ্রমণে না যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ‘অনিবার্য’ কারণ দেখিয়ে তিন জেলা প্রশাসন পৃথকভাবে এ অনুরোধ জানিয়েছে।
গতকাল বিকাল ৪টার দিকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় বলা হয়, ‘অনিবার্য কারণবশত পর্যটকদের ৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।’
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি এবং পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাঙ্গামাটিতে পর্যটকদের ভ্রমণ না করার জন্য আমরা আহ্বান করছি। পর্যটকদের সাময়িক এ অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। আশা করছি, এ সময়ের মধ্যে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং এরপর পর্যটকরা এখানে ভ্রমণে আসতে পারবে।’
গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে আসছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ৪ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেকে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হয়। এবার ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হলো পুরো জেলায়।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, ‘আগামী ২৪ দিন পর্যটকদের খাগড়াছড়ির সব পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হলো। পাহাড়ের চলমান পরিস্থিতির কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ জানতে চাইলে বান্দরবান জেলা প্রশাসক মোজাহিদ উদ্দিন সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘অনিবার্য কারণে পর্যটকদের ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে। এর বাইরে আর কিছু বলা সম্ভব নয়।’
গত ১৯ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর খাগড়াছড়িতে ‘পাহাড়ি-বাঙালি’ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জেরে সহিংসতা হয় রাঙ্গামাটিতেও।
এদিকে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তিন পার্বত্য জেলায় কঠিন চীবরদান উৎসব না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে কঠিন চীবরদান শুরু হওয়ার কথা ছিল।










