রাজধানীর মোহাম্মাদীয়া হাউজিং সোসাইটির ১ নম্বর সড়ক। ভূগর্ভস্থ পরিষেবা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সড়কটি খোঁড়া শুরু হয় চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর। কাজ শেষ হয় নভেম্বরের মাঝামাঝি। এরপর পেরিয়েছে এক মাসেরও বেশি সময়। ১ নম্বর সড়কের পর ২ নম্বর সড়কেও রাস্তা খোঁড়া ও পরিষেবা উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর সড়কও খোঁড়া হয়েছে। কিন্তু এখনো ১ ও ২ নম্বর সড়কের কার্পেটিং শুরু করেনি সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা সংস্থা। সরেজমিন দেখা গেছে, সড়ক দুটির পুরোটা এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে বালি, সুরকি ও নির্মাণসামগ্রী। এ অবস্থায়ই সড়ক দুটি ব্যবহার করছেন এলাকাবাসী।

শুধু মোহাম্মদপুর নয়, ঢাকা শহরের অধিকাংশ রাস্তায়ই বছরজুড়ে চলে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ। প্রায় সব ক্ষেত্রেই রাস্তা খোঁড়ার পর কার্পেটিংয়ে গড়িমসি করতে দেখা যায় সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা সংস্থাগুলোকে। ফলে চলাচলে ভোগান্তি পোহানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীকে ব্যাপক বায়ুদূষণের শিকার হতে হচ্ছে বলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে মন্ত্রণালয়টি জানায়, নগরীর রাস্তাগুলো খোঁড়ার পর তা মেরামত ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে দেরি হয়। এ অবস্থায় সড়কগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন নগরবাসী। এজন্য দ্রুত সড়ক মেরামতের কাজ শেষ করে কার্পেটিংয়ে বিলম্ব না করার জন্য ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. একেএম রফিক আহাম্মদ বণিক বার্তাকে বলেন, সেবাদাতা সংস্থাগুলো সড়ক খোঁড়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিয়ে কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করে, সেজন্য এরই মধ্যে সব সংস্থাকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। এর পরও কেউ যদি সড়ক খুঁড়ে উন্মুক্তভাবে নির্মাণসামগ্রী রাখে বা কার্পেটিংয়ে বিলম্ব করে, সেক্ষেত্রে আমাদের ভ্রাম্যমাণ দল রয়েছে, তারা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, নগরে বিভিন্ন মেরামত কার্যক্রমের রাস্তা কাটা ও বাড়ি নির্মাণের জন্য বালি, কঙ্কর ও অন্যান্য সামগ্রী স্তূপ করে রাখা হয়। খোলা অবস্থায় থাকার কারণে এগুলো থেকে বায়ুদূষণ হচ্ছে। নির্মাণকাজ ও ইট পরিবহনের