বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ‘কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের দাম পাচ্ছেন না, অন্যদিকে ভোক্তারা বেশি দামে পণ্য ক্রয় করছে, মধ্যস্বত্বভোগীরা মুনাফা করছে, তাদের দৌরাত্ম্য কমাতে হবে।’
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘স্মার্ট এগ্রিকালচার; ভ্যালু চেইন উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ওই সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন বিশেষ অতিথি ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমদানি-রফতানিকারকদের সুবিধার্থে শিগগিরই ঢাকা চেম্বারে একটি পূর্ণাঙ্গ হেল্পডেস্ক স্থাপন করা হবে, যেখান থেকে আইআরসি এবং ইআরসি পাওয়ার সব সুবিধা দেয়া হবে।’
তিনি জানান, এ বছরের শেষ নাগাদ ‘যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর (আরজেএসসি)’-এর সেবার সব কার্যক্রম কাগজবিহীন করা হবে, ফলে ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট এগ্রিকালচারের কোনো বিকল্প নেই এবং পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর ভ্যালু চেইনের গুরুত্ব অপরিসীম।’
দেশের কোন জায়গায় তুলনামূলক কম মূল্যে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে, এ ধরনের তথ্য প্রাপ্তির একটি প্লাটফর্ম প্রণয়নের জন্য তথ্য-প্রযুক্তিবিদদের প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী তথ্য কাঠামো প্রণয়নের কোনো বিকল্প নেই বলে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী অভিমত দেন। এছাড়া কৃষিপণ্যের স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন ও সার্টিফিকেশনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। নতুন প্রণীত ‘লজিস্টিক পলিসি ২০২৪’-এ ভ্যালু চেইনসহ অন্যান্য ব্যবসা-বাণিজ্যের বিষয়গুলোর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে অবগত হওয়ার জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি মো. সামসুল আরেফিন বলেন, ‘দেশের কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী করে এ খাতের তথ্যপ্রযুক্তি তৈরি করা ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের তরুণ সমাজ সাম্প্রতিক সময়ে কৃষি খাতের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে, যেটা অনেক উৎসাহব্যঞ্জক একটি বিষয়।’










