ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ডেঙ্গু মোকাবেলায় শহরজুড়ে
যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এডিস মশার প্রজনন স্থল এবং পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ পরিত্যক্ত
পলিথিন, চিপসের প্যাকেট, আইসক্রিমের কাপ, ডাবের খোসা, অব্যবহৃত টায়ার, কমোড ও অন্যান্য
পরিত্যক্ত দ্রব্য জনগণের নিকট থেকে নগদ মূল্যে সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছি।
তিনি বলেন, সব ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের কার্যালয়ে গিয়ে যে কেউ উল্লিখিত
দ্রব্য জমা দিয়ে নগদ অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে। প্রতিটি ওয়ার্ডের ক্রয়কৃত পরিত্যক্ত দ্রব্য
প্রতিদিন নিয়মিতভাবে সংগ্রহ করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিকটবর্তী এসটিএস (সেকেন্ডারি
ট্রান্সফার স্টেশন) এ অপসারণ করবে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে সব ওয়ার্ডকে পরিচ্ছন্ন করার
লক্ষ্যে এই উদ্যোগ। আশা করি এর ফলে জনগণ অব্যবহৃত এসব দ্রব্য যত্রতত্র ফেলা বন্ধ করবে
এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পরিত্যক্ত দ্রব্য সংগ্রহ করে সিটি করপোরেশনে জমা দেবে।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর গুলশান-২ নগর ভবনের হলরুমে
২য় পরিষদের ২৬তম করপোরেশন সভার আলোচনায় তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান।
উল্লেখ্য, সভায় কাউন্সিলরদের সম্মতিক্রমে পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি ও সেগুলো
সংগ্রহের জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়। চিপসের প্যাকেট/সমজাতীয় প্যাকেট (১০০টি) ১০০
টাকা, আইসক্রিমের কাপ, ডিসপোজেবল গ্লাস/কাপ (১০০টি) ১০০ টাকা, অব্যবহৃত পলিথিন (প্রতি
কেজি) ৫০ টাকা, ডাবের খোসা (প্রতিটি) ২ টাকা, মাটি/প্লাস্টিক/মেলামাইন/সিরামিক ইত্যাদির
পাত্র (প্রতিটি) ৩ টাকা, পরিত্যক্ত টায়ার (প্রতিটি) ৫০ টাকা, পরিত্যক্ত কমোড/বেসিন
ইত্যাদি (প্রতিটি) ১০০ টাকা, অন্যান্য পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের দ্রব্য (প্রতি কেজি) ১০
টাকায় কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ঈদের পর কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে এটি বাস্তবায়ন
করা হবে বলে জানান মেয়র।
এর আগে করপোরেশন সভার শুরুতে ডিএনসিসি মেয়র কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের
আসন্ন ঈদুল ফিতরের ও পহেলা বৈশাখের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।
সভায় ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় অন্যান্যের
সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা
হাসান, ডিএনসিসির সব বিভাগীয় প্রধান কাউন্সিলর এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।










