গাড়ি ব্যবসায় শক্তিশালী মুনাফা মার্জিনের আশা করছে বিএমডব্লিউ। যদিও আগামী বছর গাড়ি বিক্রি ধীর হবে বলে মনে করছে জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। খবর রয়টার্স।
বিএমডব্লিউর প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা নিকোলাস পিটার একটি গোলটেবিল বৈঠকে বলেন, লকডাউনের কারণে বছরের প্রথমার্ধে বিপর্যস্ত অবস্থা পার করে তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) চীনে চাহিদা পুনরুদ্ধার শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিকে তিনি বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ির বাজারে রোলারকোস্টার বছর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ইউরোপে সামগ্রিকভাবে সংস্থাটির গাড়ির চাহিদা এখনো স্থিতিশীল রয়েছে। জার্মানি ও যুক্তরাজ্যে চাহিদা কমে গেলেও ফ্রান্স, স্পেন ও ইতালিতে শক্তিশালী রয়ে গিয়েছে। বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা চলতি বছর প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি বিক্রির আশা করছে। এ সংখ্যা সংস্থাটির বিক্রীত মোট গাড়ির ১০ শতাংশ। আগামী বছর বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি বিক্রির সংখ্যা প্রায় চার লাখে উন্নীত হতে পারে বলে জানান নিকোলাস পিটার।
ইউরোপে চলমান গ্যাস ঘাটতিতে শিল্পোৎপাদন ব্যাহতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিএমডব্লিউ এ পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবেলা করছে জানতে চাইলে পিটার বলেন, জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায় গ্যাস ব্যবহার ১৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। পাশাপাশি আমরা গ্যাসের ব্যবহার আরো কমাতে পারব বলে আশা করছি। এ কারণে গ্যাসের সংকট চলতি বছর আমাদের ওপর সরাসরি কোনো প্রভাব ফেলবে না। তাছাড়া এ সংকটের কারণে আমাদের সরবরাহকারী নেটওয়ার্কেও উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়নি।
এর আগে গত সপ্তাহে জার্মানির অন্যান্য গাড়ি নির্মাতার মধ্যে ফক্সওয়াগন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জ চলমান সংকট সমাধানের রূপরেখা দিয়েছে। পরিকল্পনা অনুসারে সরবরাহকারী নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশ দিতে ব্যর্থ হলে ইউরোপীয় দেশগুলোর বাইরে ক্রয়াদেশ বাড়াবে প্রতিষ্ঠান দুটি। এক্ষেত্রে গ্যাস সংকটের কম প্রভাব পড়া দেশগুলোকে বেছে নেয়া হবে। বিএমডব্লিউ একই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি নিকোলাস পিটার। তিনি বলেন, চিপ ঘাটতি শুরুর পর থেকেই আমরা সরবরাহকারী নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছি।










