নভেল করোনাভাইরাসের কারণে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে থাইল্যান্ডের চাল রফতানি খাতে। সর্বশেষ সপ্তাহে দেশটিতে খাদ্যপণ্যটির রফতানি মূল্য আগের সপ্তাহের তুলনায় টনপ্রতি সর্বোচ্চ ১৪ ডলার কমেছে। তবে থাইল্যান্ডে কমলেও এ সময় ভারত ও ভিয়েতনামে রফতানিযোগ্য চালের দাম চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

থাইল্যান্ডে সর্বশেষ সপ্তাহে রফতানিযোগ্য ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম টনপ্রতি ৪২৫-৪৩৯ ডলারে নেমে এসেছে। আগের সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটি মানভেদে টনপ্রতি ৪৩২-৪৫৩ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। সেই হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে রফতানিযোগ্য থাই চালের দাম টনে ১৪ ডলার কমেছে।

পর্যটন খাতে মন্দার  কারণে থাই বাথের (স্থানীয় মুদ্রা) মান কমে গত ৩০ জানুয়ারি সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে আসে। থাইল্যান্ডে ঘুরতে আসা পর্যটকদের বেশির ভাগ চীন অথবা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নাগরিক। নভেল করোনাভাইরাসের কারণে এসব দেশ থেকে পর্যটক আসা বন্ধ হওয়ায় চাপের মুখে পড়েছে থাই পর্যটন খাত। বাথের মান কমায় প্রভাব পড়েছে দেশটির চাল রফতানি খাতেও।

এদিকে ভারত ও ভিয়েতনামের বাজারে চালের রফতানি মূল্য আগের তুলনায় বেড়েছে। ভারতে সর্বশেষ সপ্তাহে রফতানিযোগ্য ৫ শতাংশ ভাঙা চাল টনপ্রতি ৩৭০-৩৭৫ ডলারে বিক্রি হয়েছে। আগের সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটি টনপ্রতি ৩৬৯-৩৭৩ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। সেই হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশটিতে চালের রফতানি মূল্য বেড়েছে টনে সর্বোচ্চ ২ ডলার।

এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে চালের রফতানি মূল্য গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নভেল করোনাভাইরাস এশিয়ার দেশগুলোয় রফতানি কমানোর আশঙ্কা তৈরি করলেও আফ্রিকার দেশগুলোয় বাড়তি চাহিদা চালের দাম চাঙ্গা করেছে।

সর্বশেষ সপ্তাহে ভিয়েতনামে রফতানিযোগ্য ৫ শতাংশ ভাঙা চাল টনপ্রতি ৩৫৫-৩৬০ ডলারে বিক্রি হয়েছে। আগের সপ্তাহে খাদ্যপণ্যটির রফতানি মূল্য ছিল টনপ্রতি ৩৪৫ ডলার। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশটিতে চালের রফতানি মূল্য টনপ্রতি সর্বোচ্চ ১৫ ডলার বেড়েছে।