দেশের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি আবার বেড়েছে। এতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দিনাজপুরের হিলিতে পাইকারি বাজারে (ট্রাকসেলে) পণ্যটির দাম কমেছে। গতকাল হিলি স্থলবন্দরের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ইন্দোর ও নাসিক জাতের পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। এতে তিনদিনের ব্যবধানে প্রকারভেদে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৬ টাকা। বর্তমানে বন্দরে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮২ টাকায়, তিনদিন আগেও যার দাম ছিল কেজিপ্রতি ৮৮ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি নাসিক জাতের পেঁয়াজ বর্তমানে ৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আগে যা ছিল কেজিপ্রতি ৯০ টাকা।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত ছিল। তবে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ ওঠানামা করছে। বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে ১৭টি ট্রাকে ৪৯৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গতকালও এ ধারা অব্যাহত ছিল।’
এ বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশিদ বলেন, ‘দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রেখেছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। তবে কিছুদিন আগে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় নতুন করে পেঁয়াজের এলসি খুলতে পারছিলেন না আমদানিকারকরা। সেই সঙ্গে নগদ টাকার অভাবে আমদানীকৃত পণ্যের শুল্ক পরিশোধ করতে পারছিলেন না তারা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন মোকামে পেঁয়াজ বিক্রি করলেও ব্যাংক বন্ধ থাকায় টাকাও আমদানিকারকরা নিতে পারছিলেন না। এসব কারণে সে সময় আমদানি আগের তুলনায় কমে গিয়েছিল। যেসব আমদানিকারকের পুরনো এলসি ছিল, তা দিয়ে সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল।’
তিনি জানান, গত তিনদিন ইন্টারনেট সচল হওয়ায় ও ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু হওয়ায় নতুন করে এলসি খুলতে পারছেন আমদানিকারকরা।










