শ্রম ঘাটতি ও পেনশন ব্যবস্থা সংকট মোকাবেলায় অভিবাসন বাড়াতে চায় জার্মানি। ফলে আগামী বছরগুলোয় অভিবাসন বাড়ানোর মাধ্যমে দেশটিতে শক্তিশালীভাবে জনসংখ্যাও বাড়বে। আর এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা নয় কোটিতে পৌঁছবে বলে আশা করছে দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ। খবর রয়টার্স।

শনিবার জার্মানির রাজধানী বার্লিনের কাছে পটসডামে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক ফোরামে এ লক্ষ্যমাত্রা প্রকাশ করেন তিনি। চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ বলেন, দেশে বয়স্ক জনসংখ্যার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় জার্মান সরকার বিদেশী শ্রমিক আকর্ষণে কাজ করছে। বর্তমান জনসংখ্যার চেয়ে ৭ শতাংশ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা নয় কোটিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জার্মানি। গত মাসে দেশটির সরকার অভিবাসন আইন সংস্কারের জন্য সম্মত হয়েছে। কারণ বার্লিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে থেকে আসা প্রয়োজনীয় কর্মীদের জন্য চাকরির বাজার উন্মুক্ত করতে চায়। গত সপ্তাহে জার্মানির পরিসংখ্যান অফিস জানায়, ইউক্রেন থেকে ১০ লাখ অভিবাসনের কারণে চলতি বছর জনসংখ্যা বেড়ে ৮ কোটি ৪০ লাখে পৌঁছতে পারে। আগামী কয়েক দশকে এটি নয় কোটি হতে পারে, যদি অভিবাসন দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে জার্মান অর্থনীতি দক্ষ কর্মী ঘাটতির মধ্য দিয়ে সময় পার করছে। এটি মোকাবেলায় অভিবাসন বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে তাদের প্রশিক্ষণে উৎসাহিত করতে চায় দেশটির সরকার।