বাংলাদেশে ই-কমার্স একটি নতুন খাত। অল্প সময়ে এ খাতের সাফল্য ও প্রয়োজনীয়তা
অনুধাবন করা গেলেও এ খাতে ব্যবসা পরিচালনায় বেশকিছু বাধার সম্মুখীন হন উদ্যোক্তারা।
এ খাতের টেকসই উন্নয়নে কাস্টমস, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অটোমেশন ও লজিস্টিক খাতের
উন্নয়ন জরুরি বলে মনে করেন উদ্যোক্তারা।
রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) গ্লোবাল ই-কমার্স বিষয়ক এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং
কমিটির প্রথম সভায় উদ্যোক্তারা এ বিষয়ে আলোকপাত করেন ।
এফবিসিসিআইর সভাপতি মাহবুবুল আলমবলেন, ই-কমার্স খাতের অনেক চ্যালেঞ্জ
রয়েছে। তবুও এ খাতের বাইরে চলা আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব। তবে কাস্টমস, এনবিআর, ভ্যাট-ট্যাক্স
ইত্যাদির অটোমেশনসহ সঠিক নীতিমালা থাকলে বাংলাদেশে ই-কমার্স খাত অনেকদূর এগিয়ে যাবে।
ই-কমার্সের উন্নয়নে এফবিসিসিআই কাজ করছে বলে জানান তিনি।
এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, ই-কমার্স খাতের
উন্নয়নে নীতি সহায়তা পেতে এফবিসিসিআই কাজ করবে।
এ সময় তিনি প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যাতে ব্যবসায় আঘাত না আসে, সে
ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করেন।
এফবিসিসিআইর সহ-সভাপতি ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতি শমী কায়সার বলেন, অনলাইনে ক্রস-বর্ডার ব্যবসার ক্ষেত্রে আমরা কিছু সমস্যা নিয়ে আটকে আছি। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা গেলেও এর সমাধান এখনো পুরোপুরি সম্ভব হয়নি।
এফবিসিসিআইর প্যানেল উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার
অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসর (বেসিস) সাবেক সভাপতি সৈয়দ সাদাত আলমাস কবীর বলেন, ডিজিটাল
বা অনলাইন পেমেন্ট যত সহজ হবে, ই-কমার্স খাতের ততবেশি উন্নয়ন হবে।
এ সময় তিনি এ খাতের সঠিক গাইডলাইন প্রণয়নে লজিস্টিক বা কুরিয়ার সার্ভিস
অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আলোচনা করার পরামর্শ দেন।
ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে শুধু বিদেশি পণ্যই নয়, দেশী পণ্য
বিক্রি ও এর ব্র্যান্ডিং যাতে প্রাধান্য পায়, সেদিকে কাজ করার আহ্বান জানান এফবিসিসিআইর
পরিচালক বিএম শোয়েব।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ তমাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইর পরিচালক মোহাম্মদ বজলুর রহমান, হাফেজ হাজী হারুন অর রশীদ, শহিদুল হক মোল্লা, তপন কুমার মজুমদার, প্রীতি চক্রবর্তী, মহাসচিব মো. আলমগীর, কমিটির কো-চেয়ারম্যানসহ অনেকে।










