ঈদুল
ফিতর ও নববর্ষের ছয়দিনের
ছুটি শেষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আলু আমদানির পরিমাণ বাড়লেও কমছে না দাম। উল্টো
সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা করে
বেড়েছে। আমদানিকারকদের দাবি, ভারতের বাজারেই আলুর দাম বেশি। ফলে বেশি দামে আমদানি করে সে অনুযায়ী দেশের
বাজারে সরবরাহ করতে হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর ঘুরে জানা গেছে, ঈদের আগে হিলি স্থলবন্দরে প্রতি কেজি ডায়মন্ড জাতের সাদা গোল আলু পাইকারিতে (ট্রাকসেল) ৩০-৩২ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে সেই আলুর দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা দরে।
হিলি স্থলবন্দরের আলু আমদানিকারক হারুন উর রশীদ জানান, দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আলু আমদানি অব্যাহত রেখেছেন আমদানিকারকরা। ভারতের যেসব অঞ্চলে আলু উৎপাদন হয় সেসব অঞ্চলে অতিবৃষ্টির ফলে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এতে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়ায় ভারতের বাজারেই আলুর দাম ৫-৭ রুপি কেজিপ্রতি বেড়েছে। ফলে রফতানিকারকরা বাড়তি দামে আলু রফতানি করছেন।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘আগে বন্দর দিয়ে ৫-১০ ট্রাক আলু আমদানি হতো। বর্তমানে তা বেড়ে ২৫-৩০ ট্রাকে উন্নীত হয়েছে। বন্দর দিয়ে ঈদের ছুটির পর ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চারদিনে ১২৪টি ট্রাকে ৩ হাজার ২১৭ টন আলু আমদানি হয়েছে।’









