তালিকাভুক্ত নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি শ্রীলংকায় একটি সাবসিডিয়ারি অথবা লিয়াজোঁ অফিস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, শ্রীলংকায় সাবসিডিয়ারি স্থাপনের পাশাপাশি একই সভায় কারখানায় জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। তবে এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৩২ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৭৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ২৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৪৬ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৭১ পয়সায়।
নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।
২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৭ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪০৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ২১৭। এর ৩১ দশমিক ৬৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক শূন্য ৫, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১৯ দশমিক ৬৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










