জুনে প্রায় ১৩ হাজার গাড়ি বিক্রি করেছে চীনের বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি নির্মাতা নিও। এ সংখ্যা গত বছরের জুনের তুলনায় ৬০ শতাংশ বেশি। মূলত চীনের অর্থনীতি নভেল করোনাভাইরাসজনিত মহামারীর প্রভাব কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে বলেই গাড়ি বিক্রিতে এমন রেকর্ড করেছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর সিএনবিসি।
নিও এক মাসে ১২ হাজার ৯৬১টি গাড়ি বিক্রি করেছে। ২০১৮ সালের জুনে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিক্রি শুরু করার পর থেকে এক মাসে এটি সর্বোচ্চ বিক্রি। সে হিসেবে চলতি বছরের জুনে বিক্রি সংখ্যায় রেকর্ড করেছে নিও। কিন্তু এটি অন্য দুই মূল প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় আবার বেশি নয়।
প্রতিদ্বন্দ্বীদের একজন এক্সপেং মোটরস জানিয়েছে, জুনে প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ২৮৫টি বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি বিক্রি করেছে। এ সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩৩ শতাংশ বেশি। একই সময়ে নিজেদের জুনের গাড়ি বিক্রির পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে লি অটো। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, গত জুনে ১৩ হাজার ২৪টি এসইউভি বিক্রি করা হয়েছে, গত বছরের জুনের তুলনায় যা ৬৯ শতাংশ বেশি।
মহামারীর কারণে এ তিন প্রতিষ্ঠানই উৎপাদনসংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়েছিল। তবে সংস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংকটে ছিল সাংহাইভিত্তিক নিও। বিশেষ করে সবশেষ যে সংক্রমণ দেখা দেয় তাতে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত বছরের ডিসেম্বরের পর জুনেই ১০ হাজারের বেশি গাড়ি বিক্রি করতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্থাৎ, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসের প্রতিটিতেই নিওর বিক্রীত গাড়ির সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের কম।
কীভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি হলো বা বিক্রি বাড়ল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি নিও। তবে নিও জানিয়েছে, আগামী আগস্ট থেকে নতুন মডেলের ইএস৭ এসইউভি এবং ইএস৮, ইএস৬ এবং ইএস৬ মডেলের নতুন সংস্করণ বিক্রি করা হবে।
উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে এক্সপেং জানিয়েছে, মধ্য মে মাস থেকেই সংস্থাটি ঝাওকিংয়ের কারখানায় দুই পালায় উৎপাদন শুরু করতে পেরেছে। এছাড়া আগস্ট থেকে জি৯ মডেলের প্রাক-ক্রয়াদেশ নেয়ার কথাও জানিয়েছে। অন্যদিকে জুনে নতুন মডেলের এসইউভি বাজারে এনেছে লি অটো। এর নাম দেয়া হয়েছে এল৯। আগস্টের শেষ নাগাদ এসব গাড়ি ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা যাবে বলেও প্রত্যাশা সংস্থাটির।









