থাইল্যান্ডের
কৃষি খাতে তুলার
অবদান একবারেই যত্সামান্য। দেশটির
কৃষকদের কাছে অন্যান্য
কৃষি পণ্যের ন্যায়
গুরুত্ব পায় না
তুলার আবাদ।
পণ্যটির শীর্ষ উত্পাদনকারীর
তালিকায় দেশটির অবস্থান
বেশ পেছনের সারিতে। অথচ
তুলার অভ্যন্তরীণ ব্যবহারে
থাইল্যান্ডের
অবস্থান শীর্ষ দেশগুলোর
মধ্যেই। তুলার
অভ্যন্তরীণ
ব্যবহারের বৈশ্বিক তালিকায়
থাইল্যান্ডের
অবস্থান ১২তম।
খাতসংশ্লিষ্ট
সূত্রে জানা গেছে,
তুলার মোট অভ্যন্তরীণ
চাহিদার বেশির ভাগ
আন্তর্জাতিক
বাজার থেকে আমদানির
মাধ্যমে পূরণ করে
থাইল্যান্ড। অভ্যন্তরীণ
মোট চাহিদার ১
শতাংশেরও কম তুলা
উত্পাদন হয় দেশটিতে। থাই
সরকার পণ্যটির উত্পাদন
বর্ধিতকরণে
কোনো প্রচার বা
কৃষকদের তেমন উত্সাহ
প্রদান করে না। এমনকি
তুলাসহ সব জৈবপ্রযুক্তি
জাতীয় বীজ থেকে
শস্য আবাদে নিষেধাজ্ঞা
রয়েছে দেশটিতে।
ফলে পণ্যটির অভ্যন্তরীণ
ব্যবহার বা পুনরায়
রফতানি উভয়ের জন্যেই
দেশটির বেশির ভাগ
ব্যবসায়ী প্রায় সম্পূর্ণরূপে
আমদানিনির্ভর।
প্রতি
বছরান্তে থাইল্যান্ডে তুলার
আমদানি বাড়ছে।
২০১৮-২৯ বিপণন
বর্ষে দেশটি ব্যবসায়ীরা
আন্তর্জাতিক
বাজার থেকে মোট
২ লাখ
৫৫ হাজার
৮৩ টন
তুলা আমদানি করেছিল,
যা আগের
বিপণন বর্ষের তুলনায়
২ দশমিক
২৬ শতাংশ
বেশি। ২০১৭-১৮ বিপণন
বর্ষে দেশটি মোট
২ লাখ
৫০ হাজার
১৭ টন
তুলা আমদানি করেছিল। এদিকে
বিদায়ী বিপণন বর্ষের
তুলনায় ১ দশমিক
৭৬ শতাংশ
কম্পাউন্ড অ্যানুয়াল গ্রোথ
রেট বা সিএজিআর
নিয়ে ২০২১-২২
বিপণন বর্ষে দেশটিতে
পণ্যটির আমদানি বেড়ে
২ লাখ
৬৯ হাজার
৫৬ টনে
উন্নীত হতে পারে।
অন্যদিকে
২০১৮-১৯ বিপণন
বর্ষে থাইল্যান্ডে তুলার
মোট অভ্যন্তরীণ
ব্যবহার
ছিল ২ লাখ
৫৫ হাজার
৮৩ টন। এ
বর্ষের তুলনায় ১
দশমিক ৯৫ শতাংশ
সিএজিআর নিয়ে ২০২১-২২ বিপণন
বর্ষে দেশটিতে পণ্যটির
অভ্যন্তরীণ
ব্যবহার ১ লাখ
৭১ হাজার
৬ টনে
উন্নীত হতে পারে।
থাইল্যান্ডের তুলা ব্যবসার এ ধীর প্রবৃদ্ধি দেশটির অর্থনেতিক শ্লথগতির অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বিদায়ী বছরে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস করেছে ব্যাংক অব থাইল্যান্ড।
সূত্র: ফাইবার২ফ্যাশনডটকম









