স্বপ্ন যখন বড়, তখন প্রয়োজন এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—যেখানে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি তৈরি হয় নেতৃত্ব, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র গুলশানে অবস্থিত প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি—মানসম্মত উচ্চ শিক্ষা, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নির্মাণের এক বিশ্বস্ত ঠিকানা। অভিজ্ঞ ও যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকমণ্ডলীর নিবিড় তত্ত্বাবধানে এখানে শিক্ষার্থীরা অর্জন করে সময়োপযোগী জ্ঞান, বাস্তবমুখী দক্ষতা এবং কর্মজীবনে সফল হওয়ার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে রয়েছে—বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), বিবিএ, এলএলবি, ইংরেজি এবং অর্থনীতি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ।

গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে রয়েছে এমবিএ, এক্সিকিউটিভ এমবিএ, এলএলএম, এমএ ইন ইএলটি এবং ইকোনমিকসে মাস্টার্সসহ বিভিন্ন যুগোপযোগী প্রোগ্রাম। শিক্ষার্থীদের বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক ইন্টার্নশিপের সুযোগ করে দিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে কার্টিন ইউনিভার্সিটি, জেসেলটন ইউনিভার্সিটি, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি (এপিইউ) ও কেএলইউএসটি।

এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক ল্যাব, কম্পিউটার ও ডেটা অ্যানালিটিকস ল্যাব, স্টার্টআপ অ্যান্ড ইনোভেশন ল্যাব, অন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ হাব এবং স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার। নিয়মিত সহশিক্ষা কার্যক্রম, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, গবেষণা, কনফারেন্স এবং জার্নালে অংশগ্রহণের সুযোগ শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে যোগ করে নতুন মাত্রা। শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়—শিক্ষার্থীদের সফল কর্মজীবনের জন্য রয়েছে ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট সেল, জব ফেয়ার, করপোরেট নেটওয়ার্কিং এবং শিল্প খাতের চাহিদাভিত্তিক আধুনিক কারিকুলাম।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির মেধাবী গ্র্যাজুয়েটরা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষকতা, গবেষণা, প্রকৌশল, ব্যাংকিং, প্রযুক্তি এবং করপোরেট খাতে সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাদের অর্জনই প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির মানসম্মত শিক্ষা ও সফলতার উজ্জ্বল প্রতিফলন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ আরো সহজ করতে ফলাফলভিত্তিক সর্বোচ্চ শতভাগ পর্যন্ত টিউশন ফি ওয়েভারের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া আদিবাসী শিক্ষার্থী, গ্রুপ অ্যাডমিশন এবং একই পরিবারের ভাই-বোন বা স্বামী-স্ত্রীর জন্য রয়েছে বিশেষ ওয়েভার সুবিধা। নির্ধারিত শর্তে রয়েছে আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক সুবিধাও। —বিজ্ঞপ্তি