আগামী ১ আগস্ট ইউক্রেনে সূর্যমুখী তেলের নতুন বিপণন মৌসুম শুরু হবে। এর আগেই চলতি ২০১৯-২০ মৌসুম শেষ না হতেই দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির রফতানিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে। চলতি মৌসুমের প্রথম ১১ মাসে (গত বছরের ১ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত) ইউক্রেন থেকে সূর্যমুখী তেল রফতানি আগের মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৫৭ লাখ টন ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির কৃষিপণ্যবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এপিকে-ইনফর্মের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এগ্রিমানি ও বিজনেস রেকর্ডার।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমের প্রথম ১১ মাসে ইউক্রেন থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৫৭ লাখ টনের কিছু বেশি সূর্যমুখী তেল রফতানি হয়েছে, যা আগের মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। মাসভিত্তিক হিসাবে সর্বশেষ জুনে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ২০০ টন সূর্যমুখী তেল।

সূর্যমুখী তেল উৎপাদনে ইউক্রেনের অবস্থান বিশ্বে প্রথম। পণ্যটির রফতানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায়ও দেশটি শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় জলবায়ু ও ভূপ্রকৃতির কারণে দেশটিতে খুব ভালো মানের সূর্যমুখী ফুল জন্মে। তা থেকে উত্পন্ন হয় উন্নত মানের বীজ ও তেল। স্বাদ ও মানের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এ তেলের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। এ কারণে উৎপাদিত সূর্যমুখী তেলের সিংহভাগ রফতানি করে ইউক্রেন।

এপিকে-ইনফর্মের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, চলতি ২০১৯-২০ মৌসুম শেষে ইউক্রেনে সব মিলিয়ে ৬৭ লাখ টন সূর্যমুখী তেল উৎপাদন হতে পারে। ২০২০-২১ মৌসুমে দেশটিতে সূর্যমুখী তেল উৎপাদন আরো বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৬৯ লাখ টনে। আর চলতি ২০১৯-২০ মৌসুম শেষে ইউক্রেন থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৮৩ লাখ টন সূর্যমুখী তেল রফতানির সম্ভাবনা দেখছে প্রতিষ্ঠানটি। এর আগের মৌসুমে দেশটি থেকে ৬০ লাখ ৬৩ হাজার টন সূর্যমুখী তেল রফতানি হয়েছিল।