দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে দীর্ঘদিন ধরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে স্থানীয় আমদানিকারকরা পণ্যটি আমদানি করতে চাইছেন। এজন্য উদ্যোগী হলেও আমদানিকারকদের পেঁয়াজ আমদানিতে প্রয়োজনীয় ইমপোর্ট পারমিট বা আইপি দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্র। বলা হচ্ছে, উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও দেশীয় কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আপাতত ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে আইপি ইস্যু করা হবে না।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারেন্টাইন প্যাথলজিস্ট মাহমুদুল হাসান মুসা জানান, খাদ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রত্যেক আমদানিকারককে শুরুতে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন বা আইপি নিতে হয়। এরপর সেই আইপির বিপরীতে এলসি খুলে সংশ্লিষ্ট পণ্য বিভিন্ন দেশ থেকে দেশে আমদানি করতে পারেন আমদানিকারকরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে পেঁয়াজ আমদানিতে আইপি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। ফলে স্থানীয় আমদানিকারকরা চাইলেও ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন না।
ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। সম্প্রতি দেশটির উদ্বৃত্ত পেঁয়াজ রফতানির আগ্রহ প্রকাশ করেন দেশটির রফতানিকারকরা। দেশীয় আমদানিকারকরাও পেঁয়াজ আমদানি বাড়াতে চাইছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরুর পরিকল্পনা নেই বলে জানানো হয়েছে। ধানের মতো পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের ইচ্ছার কথা জানিয়েছে সরকার।








