ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় ২০২৩-২৪ বিপণন মৌসুমে তেলবীজ উৎপাদন ৪ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস মিলেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার টনে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস) প্রকাশিত গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়।
খরার কারণে গত বছর অঞ্চলটিতে তেলবীজ উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে এ বছর পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। এ কারণে কৃষকরা আবাদ বাড়িয়েছেন।
প্রতিবেদনে করা প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নে ১ কোটি ৯৩ লাখ টন সরিষা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। মোট উৎপাদিত তেলবীজের বড় একটি অংশ আসে এটি থেকে। সূর্যমুখী তেলবীজ উৎপাদন হতে পারে ১ কোটি ৫ লাখ টন, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। সয়াবিন উৎপাদন ১২ শতাংশ বেড়ে ২৮ লাখ টনে উন্নীত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।
মোট তেলবীজ আবাদি জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার হেক্টরে, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি। আবাদ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা পালন করেছে সরিষা ও সয়াবিন। পাশাপাশি সূর্যমুখী আবাদের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে।
এফএএস জানায়, বাজারে তেলবীজ ও তেলবীজজাত পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। পাশাপাশি আকর্ষণীয় দাম কৃষকদের আবাদ বাড়াতে উৎসাহ জুগিয়েছে। ২০২৩-২৪ বিপণন মৌসুমে সয়াবিন ও সূর্যমুখী তেলবীজ উৎপাদন লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়বে। তবে সরিষা উৎপাদন কিছুটা কমতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব অঞ্চলে উৎপাদন পরিস্থিতি এখনো অনুকূলে।
এদিকে তেলবীজ থেকে খাদ্য উৎপাদন অপরিবর্তিত থাকার পূর্বাভাস মিলেছে। এটি থেকে জৈব জ্বালানি উৎপাদনও অপরিবর্তিত থাকবে। তবে পশুখাদ্য উৎপাদন ১ শতাংশ কমতে পারে।










