২০২০-২১ উৎপাদন বর্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোয় অলিভ অয়েল উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণ বাড়তে পারে। ইইউয়ের এগ্রিফুডের শর্ট-টার্ম আউটলুকে জানানো হয়েছে, এ সময়ে অঞ্চলটিতে সব মিলিয়ে ২৩ লাখ টন অলিভ অয়েল উৎপাদন হতে পারে। পাঁচ বছরের মধ্যে এটাই পণ্যটির সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড। খবর অলিভ অয়েল টাইমস।

অলিভ অয়েল উৎপাদনের শীর্ষস্থান এবারও স্পেনের দখলে থাকতে পারে। এগ্রিফুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতসহ পণ্যটি উৎপাদনের উপযোগী আবহাওয়া বিরাজ করছে। ফলে এরই মধ্যে গাছে প্রচুর ফুল আসতে শুরু করেছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এবারও স্পেন রেকর্ড অলিভ অয়েল উৎপাদন করতে পারবে বলে প্রত্যাশা খাতসংশ্লিষ্টদের। ২০১৯-২০ মৌসুমে দেশটি মোট ১১ লাখ ২ হাজার টন অলিভ অয়েল উৎপাদন করেছিল।

তবে ইইউয়ের অন্যতম শীর্ষ অলিভ অয়েল উৎপাদনকারী দেশ ইতালিতে এবার পণ্যটির উৎপাদনে নিম্নমুখী প্রবণতা পড়তে পারে। দেশটির কয়েকটি শীর্ষ অলিভ অয়েল উৎপাদনকারী অঞ্চলে দাবদাহ বিরাজ করছে। একই অবস্থা বজায় থাকতে পারে গ্রিসের উৎপাদনেও। পণ্যটি উৎপাদনে প্রসিদ্ধ দুই দেশ গত উৎপাদন বর্ষে যথাক্রমে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ও ২ লাখ ৭৫ হাজার টন অলিভ অয়েল উৎপাদন করেছিল।

এদিকে চলতি উৎপাদন বর্ষে পর্তুগালে পণ্যটির উৎপাদন গত বছরের তুলনায় সামান্য কমতে পারে। ২০১৯ সালে দেশটি মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টন অলিভ অয়েল উৎপাদন করে রেকর্ড করেছিল। এর বাইরে অন্য দেশগুলোয় উৎপাদন বৃদ্ধির জেরে চলতি উৎপাদন বর্ষে ইইউয়ে পণ্যটির সামগ্রিক উৎপাদন বাড়তির দিকে থাকবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যদিকে উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ২০২০-২১ উৎপাদন বর্ষে ইইউয়ে অলিভ অয়েল ব্যবহারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকতে পারে। এগ্রিফুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি উৎপাদন বর্ষে অঞ্চলটির সম্মিলিত অলিভ অয়েল ব্যবহার আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বাড়তে পারে। তবে উৎপাদন বর্ষ শেষে অঞ্চলটিতে পণ্যটির সামপনী মজুদ কমতে পারে।