মহামারীর শুরু থেকেই অন্যান্য সংস্থার মতো ফোর্ডও যন্ত্রাংশের ঘাটতিতে রয়েছে। এ কারণে সংস্থাটির অধিক লাভজনক গাড়িগুলোও আংশিকভাবে সংযোজন করে ফেলে রাখা হয়েছে। এ অবস্থায় তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মুনাফার পূর্বাভাস কমিয়েছে মার্কিন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। খবর এপি।

ফোর্ড জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া প্রান্তিকে সংস্থাটির হাতে ৪০-৪৫ হাজার অসমাপ্ত যানবাহন থাকবে। এর মধ্যে বেশির ভাগই স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল (এসইউভি) ও জনপ্রিয় ট্রাকের মডেল। এগুলো ফোর্ডের মুনাফায় অনেক বেশি অবদান রাখে।

মিশিগানভিত্তিক সংস্থাটি এখন আশা করছে, তৃতীয় প্রান্তিকে সুদ ও কর পরিশোধপূর্ব মুনাফা ১৪০-১৭০ কোটি ডলার হবে। যেখানে দ্বিতীয় প্রান্তিকে সংস্থাটির সুদ ও করপূর্ব মুনাফার পরিমাণ ছিল ৩৭০ কোটি ডলার।

ফোর্ড জানিয়েছে, তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি যে গাড়িগুলো সম্পূর্ণভাবে সংযোজন করতে পারেনি সেগুলো বছরের শেষ তিন মাসে ডিলারদের কাছে বিক্রি করা হবে। এ কারণে পুরো বছরের মুনাফার পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২০২২ সালে সংস্থাটি ১ হাজার ১৫০ কোটি ডলার থেকে ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলার মুনাফার পূর্বাভাস দিয়েছে।

কম্পিউটার চিপসহ যন্ত্রাংশ ঘাটতির কারণে বিশ্বজুড়ে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো যানবাহন সম্পূর্ণভাবে সংযোজন এবং ধনী ক্রেতার চাহিদা পূরণে হিমশিম খাচ্ছে। গত জুলাইয়ে আরেক মার্কিন গাড়ি নির্মাতা জেনারেল মোটরস জানিয়েছিল, চিপসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ ঘাটতির কারণে ৯৫ হাজার ইউনিট গাড়ি আংশিকভাবে সংযোজন করতে বাধ্য হয়েছে সংস্থাটি। বছরের শেষ নাগাদ গাড়িগুলোর সংযোজন শেষ করে বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ফোর্ড আরো জানিয়েছে, তৃতীয় প্রান্তিকে মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত সরবরাহ ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি ডলারের উন্নীত হয়েছে। এ ব্যয়ের পরিমাণ প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি।