সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে পণ্যটি ৩০ শতাংশের বেশি আমদানি হয়েছে। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা জানান, দেশের বাজারে চাহিদা বাড়ায় আমদানি ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। তবে আমদানি বাড়লেও হলুদের দাম কমছে না, উল্টো বাড়ছে।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব বিভাগ থেকে জানা গেছে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের ১১ মাসে অর্থাৎ জুলাই-মে পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছে ৩৩ হাজার ৯৭৬ টন, যার আমদানি মূল্য ৪৬৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় আমদানি হয় ২১ হাজার ২০২ টন, যার আমদানি মূল্য ২৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে আমদানি বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি।
ভোমরা স্থলবন্দরের মসলাপণ্য আমদানিকরক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, সম্প্রতি তার প্রতিষ্ঠানে শুকনা হলুদ আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছর পণ্যটি ২৫-৩০ শতাংশ বেশি আমদানি হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে পণ্যটির চাহিদা বেশি।
এদিকে সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড়বাজারের মসলা আড়ত মেসার্স আবির ভাণ্ডারের পরিচালক আব্দুল আজিজ জানান, আমদানি বাড়লেও হলুদের দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ঈদুল আজহা সামনে রেখে অনেক ব্যবসায়ী হলুদ মজুদ করছেন। ফলে আমদানি বাড়লেও বাজারে সরবরাহ কম। গত বছরের এ সময়ে গুঁড়া হলুদ বিক্রি হয়েছে ১৫৫-১৬০ টাকা কেজি দরে। বর্তমান তা বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা কেজি দরে।’
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বরত কাস্টমসের ডেপুটি সহকারী কমিশনার নেয়ামুল হাসান বলেন, ‘মসলাপণ্য হিসেবে শুকনা হলুদ আমদানিতে সরকার ব্যাপক রাজস্ব আয় করে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছর পণ্যটির আমদানি বেড়েছে।’










