প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, ‘কৃষি-শিল্প এবং কৃষি-উদ্যোক্তাদের বিকাশ স্থানীয় কৃষি খাতের পাশাপাশি ক্ষুদ্র কৃষকদের জীবিকার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। কৃষিতে বিনিয়োগ কেবল খাদ্যনিরাপত্তার উন্নতি এবং টেকসই উন্নতির জন্য সবচেয়ে কার্যকরী কৌশল নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যও অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ওপর প্রভাব রয়েছে কৃষি খাতের উন্নতির। এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতির জন্য মৌলিক।’ গতকাল সিলেটে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি আয়োজিত কৃষি উদ্যোক্তাদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষি উদ্যোক্তাদের সহায়তার জন্য বিশেষ প্রকল্প ‘ভরসার নতুন জানালা’-এর আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় ধারাবাহিকভাবে কৃষি উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হচ্ছে। এরই অংশ গতকাল সিলেট আমান উল্লাহ কনভেনশন সেন্টারে সিলেট জেলার কৃষি উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের শিক্ষিত যুবকরা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় কৃষি ও পশুপালন ব্যবসার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ প্রদর্শন করেছে। কেউ কেউ প্রচলিত চাকরির পরিবর্তে কৃষি ব্যবসায় ক্যারিয়ার বেছে নিয়েছে, আবার কেউ কেউ বিকল্প উৎস হিসেবে এ খাতে বিনিয়োগ করছে। তাদের আয় বাড়ানোর প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে এবং উচ্চফলনশীল, উচ্চমূল্যের ফসল ও গবাদিপশু পালনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাদ্য নিরাপত্তার উন্নতি ঘটাচ্ছে।’









