চিকিৎসা সংক্রান্ত মার্কিন স্টার্টআপ থেরানোসের
প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ হোমসের পর তার ব্যবসায়িক অংশীদার রমেশ সানি বলওয়ানিকে প্রায় ১৩ বছরের
কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সাবেক এ নির্বাহীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। খবর
বিবিসি।
এর আগে গত জুলাই মাসে বলওয়ানিকে দোষী সাব্যস্ত
করা হয়। গতকাল বুধবার (৭ ডিসেম্বর) প্রায় চার ঘণ্টার শুনানির পর ১৫৫ মাসের কারাদণ্ডের
রায় ঘোষিত হয় মার্কিন আদালতে।
ওই সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও কোনো কথা বলেননি
বলওয়ানি। তবে তার পক্ষের আইনজীবী আপিল আবেদনের কথা জানিয়েছেন।
এর আগে গত মাসে থেরানোসের প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ
হোমসকে ১১ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেয় আদালত।
হোমসকে চারটি প্রতারণার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত
করা হয়েছিল। অন্যদিকে বলওয়ানির বিরুদ্ধে প্রতারণার ১২টি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
বালওয়ানি ছিলেন থেরানোসের সাবেক প্রেসিডেন্ট
ও প্রধান অপারেটিং অফিসার। এলিজাবেথ হোমসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে কোম্পানির ল্যাবগুলোর
সরাসরি তত্ত্বাবধান করতেন তিনি।
‘সিলিকন ভ্যালি তারকা’ হিসেবে খ্যাতি পাওয়া
এলিজাবেথ হোমস দাবি করেছিলেন, তাদের ব্যবহৃত প্রযুক্তি মাত্র কয়েক ফোঁটা রক্ত দিয়ে রোগ নির্ণয়
করতে পারে। এক সময় তার প্রতিষ্ঠানের মূল্য দাঁড়িয়েছিল ৯০০ কোটি ডলার।
উদ্যোক্তা হিসেবে দারুণ তোলপাড় তোলা এলিজাবেথ
হোমসকে ‘ভবিষ্যৎ স্টিভ জবস’ হিসেবে গণ্য করা হতো। এক সময় বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ স্ব-নির্মিত
বিলিয়নেয়ারও বলা হতো তাকে।
১৯ বছর বয়সে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে
ড্রপ আউট হওয়ার পর থেরানোস চালু করেন হোমস। কোম্পানিটি রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক
দাবি করায় রাতারাতি এর মূল্য চড়তে থাকে। কিন্তু হোমসের দাবি করা প্রযুক্তি কাজ করেনি
এবং মামলায় জর্জরিত কোম্পানিটি ২০১৮ সালে বিলুপ্ত হয়ে যায়।










