বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন গতকাল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। এরপর তিনি দেশের শীর্ষ পাঁচ শিল্প গ্রুপের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরো শক্তিশালীকরণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে অংশ নেয়া মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য, মেশিনারিজসহ অন্যান্য আমদানি বৃদ্ধি এবং ব্যবসার পরিবেশে বাধা কমানোর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। এছাড়া রেগুলেটরি, কমপ্লায়েন্স ও বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।’
বৈঠকে আরো অংশ নেন সী-কম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক, প্যারাগন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, নাহার এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান টুটুল এবং সিটি গ্রুপের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
এর আগে রাষ্ট্রদূত যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬০ হাজার টন উচ্চমানের গম আসা উপলক্ষে দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরে খাদ্য বিভাগের সাইলো জেটিতে ‘সেলিব্রেটিং ইউএস হুইট অ্যারাইভাল ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ চালান মোট ১ লাখ ৭৩ হাজার টন সরবরাহের অংশ। এতে ওয়াশিংটন, ওরেগন ও আইডাহো থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার টন সফট হোয়াইট গম এবং মনটানা ও নেব্রাস্কা থেকে ৬০ হাজার টন হার্ড রেড উইন্টার গম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্রের গমের অষ্টম বৃহত্তম বাজারে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের গমের শীর্ষ ২৫ বাজারেও ছিল না বাংলাদেশ। এ গম আমদানি দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফিরোজ সরকার, খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।










