বিদ্যমান বৈশ্বিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি খরচ আর উচ্চ সুদহারের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে ফ্লোরিডাভিত্তিক প্রমোদতরী পরিষেবা সংস্থা কার্নিভাল করপোরেশনকেও। তবে যতটা অনুমান করা হয়েছিল, সংস্থাটির লোকসানের পরিমাণ তার তুলনায় কম হয়েছে।

রয়টার্সের খবর অনুসারে, বুধবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে তৃতীয় প্রান্তিকের আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, পরিচালন খরচ নিয়ন্ত্রণের ফলে লোকসানের পরিমাণ সামান্য কমিয়ে আনতে পেরেছে সংস্থাটি। এ খবরের পর সংস্থাটির শেয়ারের মূল্যও বেড়েছে ৭ শতাংশ।

কার্নিভালসহ ক্রুজ অপারেটররা ক্রমবর্ধমান জ্বালানির দাম, শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং উচ্চ সুদহার পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করছে, যা চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের কারণে আরো বেড়েছে। এ অবস্থায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পরিষেবা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে ক্রুজ অপারেটর কোম্পানিগুলো। চীনে যেমন কার্নিভাল তাদের কিছু পরিষেবা বন্ধ করেছে। কোম্পানির বহর থেকে খানিকটা কম বিলাসবহুল জাহাজও সরিয়ে নিচ্ছে তারা। এর মধ্যে রয়েছে কোস্টা ক্রুজ লাইনের দুটি জাহাজ।

সংস্থাটি বলেছে, বর্তমান প্রান্তিকে তাদের প্রমোদতরীগুলোয় ভ্রমণেচ্ছুদের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে প্রায় ৯০ শতাংশই পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া ২০২৩ সালের মাঝামাঝিতে তা ঐতিহাসিক স্তরে ফিরে আসবে বলে তারা আশা করছে।

ইনস্টিটিউশনাল ব্রোকারস এস্টিমেট সিস্টেমের (আইবিইএস) তথ্য অনুসারে, ক্রুজ অপারেটরের আয় এক বছর আগের ১২৯ কোটি ডলার থেকে ৩০ নভেম্বর শেষ হওয়া প্রান্তিকে উন্নীত হয়েছে ৩৮৪ কোটি ডলারে। যদিও বিশ্লেষকদের গড় পূর্বাভাস ৩৯১ কোটি ডলার আয়ের অনুমান পূরণ করতে পারেনি। তবে শেয়ারপ্রতি ৮৭ সেন্টের প্রত্যাশার তুলনায় কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ৮৫ সেন্ট লোকসান গুনেছে।