চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ব্রাজিল থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন রফতানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দৈনিক গড়ে ৬৪ হাজার ৯০০ টন কমেছে। মূলত নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশটি থেকে পণ্যটির আমদানি কমিয়েছে চীন, যা সামগ্রিক রফতানি হ্রাসের পেছনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। একই সময়ে দেশটির আকরিক লোহা রফতানিতেও মন্দা ভাব বজায় রয়েছে। দেশটির সরকারি সূত্র সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।

ব্রাজিলের অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম পাঁচ কর্মদিবসে ব্রাজিল থেকে দৈনিক গড়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬০০ টন সয়াবিন আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে কৃষিপণ্যটির দৈনিক গড় রফতানি ছিল ২ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টন। সে হিসাবে দেশটি থেকে এ সময়ে দৈনিক গড়ে ৬৪ হাজার ৯০০ টন সয়াবিন রফতানি কমেছে।

এদিকে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে দৈনিক গড়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার টন আকরিক লোহা রফতানি হয়েছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশটি দৈনিক গড়ে ১৪ লাখ টন আকরিক লোহা রফতানি করেছিল। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে ব্যবহারিক ধাতুটির রফতানি কমেছে দৈনিক গড়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টন।

ব্রাজিলের সয়াবিন ও আকরিক লোহার শীর্ষ ক্রেতা চীন। নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে চীনের বাণিজ্য জটিল আকার ধারণ করেছে। তবে কোন দেশে কী পরিমাণ রফতানি হয়েছে, সে সম্পর্কে ব্রাজিলের সরকার বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি। এ সময়ে দেশটি থেকে ডেইরি পণ্য ও ভোজ্য তেলের গড় রফতানিতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল বলে জানিয়েছে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়।