বর্তমান তারল্য সংকট মোকাবেলায় কোম্পানির অব্যবহৃত ৩০ একর জমি ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইনটেক লিমিটেড। এরই মধ্যে কোম্পানিটির পর্ষদ এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিটি। 

তথ্য অনুসারে, কোম্পানির তারল্য সংকট মোকাবেলায় ময়মনসিংহের তারাকান্দার অব্যবহৃত ৩০ একর জমি বিশ্বাস এগ্রো ফিশারিজ লিমিটেডের কাছে ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতি একর জমির জন্য বছরে ৭০ হাজার টাকা ইজারা পাবে ইনটেক লিমিটেড। পাঁচ বছর মেয়াদি এ ইজারা চুক্তির মেয়াদ হবে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে ইনটেক লিমিটেড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৭৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ লোকসান ছিল ৯১ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪ টাকা ৫২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইনটেক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। আগের হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের জন্য ১১ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আগের হিসাব বছরে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা। এছাড়া ২০১৫-১৬ হিসাব বছরের জন্যও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। 

২০০২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইনটেক লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ১২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১৩ লাখ ২১ হাজার ২২৬। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ২৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইতে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ২১ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১৬ টাকা ও ৩৪ টাকা ৯০ পয়সা।