সৌদি আরবের জ্বালানি তেলবহির্ভূত রফতানি বাণিজ্য ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। জুলাইয়ে দেশটির রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। সম্প্রতি দেশটির জেনারেল অথরিটি ফর স্ট্যাটিসক্টিসের (জিএএসটিএটি) প্রকাশিত এক উপাত্তে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর আরব নিউজ।
জিএএসটিএটির উপাত্তে বলা হয়েছে, জুলাইয়ে ২ হাজার ৬৭০ কোটি রিয়াল (৬৯৪ কোটি ডলার) মূল্যের জ্বালানি তেলবহির্ভূত পণ্য রফতানি করেছে সৌদি আরব। এ রফতানি বাণিজ্যের প্রধান অংশই ছিল রাসায়নিক ও সংশ্লিষ্ট শিল্প খাত। রফতানির ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশই এ খাত থেকে এসেছে। ফলে সামগ্রিক পণ্য রফতানি ৫৮ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৮০ কোটি রিয়ালে পৌঁছেছে। যেখানে ২০২১ সালের জুলাইয়ে এ রফতানির পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৮৭০ কোটি রিয়াল।
পাশাপাশি জুলাইয়ে দেশটির আমদানির পরিমাণও বেড়েছে। ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে আমদানি ৫ হাজার ৫১০ কোটি রিয়ালে পৌঁছেছে। যেখানে গত বছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৬৬০ কোটি রিয়াল। জুলাইয়ে সামগ্রিক পণ্য আমদানির ১৭ দশমিক ৮ শতাংশই ছিল বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও যান্ত্রিক সরঞ্জাম।
উল্লেখিত মাসে রফতানি প্রবৃদ্ধি আমদানির তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছে। এটি জুলাইয়ে সৌদির আমদানির বিপরীতে জ্বালানি তেলবহির্ভূত রফতানির অনুপাত ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশে উন্নীত হতে সহায়তা করেছে। গত বছর এ হার ছিল ৪৫ দশমিক ২ শতাংশ। যদিও এ অনুপাত আগের মাসের রেকর্ড ৫০ শতাংশের চেয়ে কম।
জিএএসটিএটি অনুসারে, সৌদি আরবের বাণিজ্যিক অংশীদারদের মধ্যে জুলাইয়ে রফতানি ও আমদানি উভয় ক্ষেত্রেই চীন শীর্ষে ছিল। এ সময়ে দেশটিতে ২ হাজার ২১০ কোটি রিয়াল মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে সৌদি। এটি মোট রফতানির ১৫ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে এ সময়ে চীন থেকে পণ্য আমদানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২০০ কোটি রিয়াল, যা দেশটির মোট আমদানির ২১ দশমিক ৮ শতাংশ।
চীনের পর সৌদির আমদানির তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশ দুটি থেকে গত জুলাইয়ে সৌদি আরবের আমদানির পরিমাণ ছিল ৪২০ ও ৩৮০ কোটি রিয়াল।










