চলমান চতুর্থ প্রান্তিকেও (সেপ্টেম্বর-নভেম্বর) লোকসানের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কার্নিভাল। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুন-আগস্ট) সংস্থাটির আয় বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। উচ্চ জ্বালানির দাম এবং বুকিং বাড়াতে ভাড়া কমানোর কারণে লোকসানের পাল্লা ভারী হয়েছে ক্রুজ পরিষেবা সংস্থাটির।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রেকর্ড মূল্যস্ফীতি ক্রুজ অপারেটরদের আরো আঘাত করেছে। লকডাউন, ক্রুজ পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা ও শ্রম ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে ২০২০ সাল থেকে লোকসান গুনছে সংস্থাগুলো। তা সত্ত্বেও কভিডজনিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের পর সংস্থাগুলো আবারো পরিষেবায় ফিরেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংস্থাগুলোয় ভ্রমণকারীদের সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে।

কার্নিভালের প্রধান নির্বাহী জোশ ওয়েইনস্টেইন বলেন, গত মাসে কভিডজনিত বিধিনিষেধ আরো শিথিলের পর আমাদের বুকিংয়ের সংখ্যা আরো বেড়ে গিয়েছে। এমনকি বর্তমানে শক্তিশালী ২০১৯ সালের পর্যায়ের চেয়েও যথেষ্ট এগিয়ে আছি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, জুন-আগস্ট সময়ে কার্নিভালের আয় আগের তিন মাসের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে। যদিও যাত্রীপ্রতি আয়ের পরিমাণ মহামারীর আগে ২০১৯ সালের স্তরের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। আবার নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দীর্ঘ কভিডজনিত স্থবিরতা কাটিয়ে যাত্রী আকর্ষণে মূল্যছাড় ও বিজ্ঞাপনেও ব্যয় বাড়াতে হয়েছে সংস্থাটিকে। ফলে সেপ্টেম্বর-নভেম্বর সময়েও লোকসান গুনতে হবে। তবে আগামী বছর টিকিটের মূল্য বাড়ানোর আশা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কার্নিভাল।

৩১ আগস্ট শেষ হওয়া প্রান্তিকে সংস্থাটির আয় বেড়ে ৪৩১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। যেখানে গত বছরের এ সময়ে সংস্থাটির আয়ের পরিমাণ ছিল ৫৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার। তবে সংস্থাটির আয় বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ৪৯০ কোটি ডলারের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এ সময়ে সংস্থাটি লোকসান গুনেছে ৭৭ কোটি ডলার বা শেয়ারপ্রতি ২ ডলার ৫০ সেন্ট। যদিও গত বছরের একই সময়ে লোকসানের পরিমাণ ছিল ২৮৪ কোটি ডলার।