১৯ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিত এশিয়া অ্যাপারেল এক্সপোর ১০ম সংস্করণে বাংলাদেশী পোশাক পণ্য প্রদর্শন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোর জন্য লাভজনক ব্যবসার সুযোগ তৈরি করেছে।

কমএশিয়া লিমিটেডের আয়োজিত এ মেলায় এশিয়ার সাতটি দেশ— বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত, থাইল্যান্ড, তুরস্ক এবং তাইওয়ান অংশ নেয়। মেলায় ১৭টি বাংলাদেশী কোম্পানি ইপিবির মাধ্যমে এবং ৩টি বাংলাদেশী কোম্পানি নিজ উদ্যোগেসহ ৪৫০টিরও বেশি এশিয়ান কোম্পানি অংশ নিয়েছে। এই কোম্পানিগুলো পুরুষ, নারী ও শিশুদের পোশাক, ডেনিম, নিটওয়্যার থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করেছে। যা বৈশ্বিক পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের দক্ষতাকে প্রতিফলিত করে।

জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া মেলায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের প্রতিটি প্রদর্শকদের সঙ্গে  কথা বলেন এবং তাদের স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি বাংলাদেশের রফতানিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া প্রদর্শনকৃত জিনিসপত্রের বৈচিত্র্য ও গুণগত মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের অংশগ্রহণের তাৎপর্য তুলে ধরে বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (বাণিজ্যিক) সাইফুল ইসলাম মেলার সুবিধার্থে ও সমন্বয় সাধনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) কৌশলগত ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন ইপিবি, বাংলাদেশী কোম্পানিগুলোকে তাদের পণ্য প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মূল্যবান সংযোগ স্থাপন করেছে।

জার্মানিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি ৭.৫ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে, দেশটি বিশ্ববাজারে পোশাক পণ্যের শীর্ষস্থানীয় সরবরাহকারী হিসেবে তার অবস্থানকে শক্তিশালী করে চলেছে। এই ইতিবাচক গতিপথ বাংলাদেশের পোশাক খাতের জন্য মঙ্গলজনক, যা আগামী বছরগুলোতে এসব মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আরো সম্প্রসারণ হবে।

প্রসঙ্গত, এশিয়া অ্যাপারেল এক্সপো এশিয়ান পোশাক শিল্পের সহযোগিতা, উদ্ভাবন এবং ব্যবসার সুযোগ বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।